• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের ৫০ লাখ টা’কা ছি-ন-তাই ! স্মার্ট কৃষি জয়ে ঐক্যবদ্ধ ‘বিজনেস পার্টনার মিট ২০২৬’ কুমিল্লার ময়নামতি হাইওয়ে থানার এক কর্মরত এসআইয়ের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল আটক করে টাকা দাবির অভিযোগ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে পরিস্কার পরিছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন চুরি মামলা তুলে নেয়ায় সাংবাদিক কুপিয়ে জখম আঙুল বিচ্ছিন্ন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ১২ মে থেকে ঈদ পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট তানোরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২ বুড়িচংয়ে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের আর বঞ্চনা নয়: ১৪ দফা দাবিতে রাজধানীতে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Reporter Name / ৩২ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ রাজধানী ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ইন্টেরিয়র মিনিস্টার) সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার (Money Laundering) রোধে একে অপরকে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ।

চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:

তথ্য আদান-প্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন (DTOs), এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে।

যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচার রোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুন:প্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ (ANF) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

গোপনীয়তা রক্ষা: আদান-প্রদানকৃত সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd