মোঃ শাহজাহান বাশার,
কুমিল্লার ময়নামতি হাইওয়ে থানার এক কর্মরত এসআইয়ের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল আটক করে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল আটকের পর চালকের কাছে প্রথমে ৩ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে টাকা না দিলে ৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি নিয়মিত কাজে যাওয়ার পথে হাইওয়ে পুলিশের চেকপোস্টে আটকা পড়েন। এ সময় কর্তব্যরত এসআই ইদ্রিস আলী কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে মোটরসাইকেলটি আটক করেন। পরে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, এসআই ইদ্রিস আলী বলেন, “৩ হাজার টাকা দিলে বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়া হবে, না হলে ৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়া হবে।” এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মানসিকভাবে চাপে পড়ে যান এবং পরে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান।
স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হাইওয়ে সড়কে প্রায়ই বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে মামলা ও জরিমানার ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ শোনা যায়। তবে অধিকাংশ মানুষ হয়রানির ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়নামতি হাইওয়ে থানার এসআই ইদ্রিস আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে থানার একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হতে পারে।
সচেতন মহল বলছে, সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বিরুদ্ধে যদি এ ধরনের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।