• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরীতে বোয়ালেরডারা কবরস্থানের জমি ক্রয়ে ১০ হাজার টাকা অনুদান দিলেন হাজী সোহেল আসন্ন নাগেশ্বরী পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র পদপ্রার্থী আজিজুল হকের নির্বাচনী গণসংযোগ শিবরামপুরে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পাবলিক কমিউনিটি সেন্টারের শুভ উদ্বোধন কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ৩৮ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে জয়পুরহাট সদর উপজেলাকে হারিয়ে কালাই উপজেলা চ্যাম্পিয়ন সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন ভান্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে মাদক মামলার ২ আসামি গ্রেফতার, বুড়িচংয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান নাগেশ্বরীতে বকুলতলা সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের বেহাল অবস্থা, সংস্কারের দাবি ভিটেহীন বৃদ্ধা এজি বেগমের মাথা গোঁজার ঠাঁই: ঘর সম্পন্ন ও স্যানিটেশন সুবিধায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সরকারি রেল ইস্টাপ নানটু লালের মাদকের সাম্রাজ্য সুইপার কলোনী

Reporter Name / ২২০ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

সিলেট দক্ষিণ সুরমা

আহমেদ আকবর

সরকারি চাকরির আড়ালে
নানটু লালের মতো ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসা চালানো দেশের প্রচলিত শাসনব্যবস্থা এবং সামাজিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি।

নান্টু লাল হলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন কর্মচারী (সুইপার), যার বিরুদ্ধে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় একটি বেপরোয়া মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তিনি রেলওয়ের স্টাফ কোয়ার্টার বা সুইপার কলোনিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিভাবে এই অপরাধমূলক সাম্রাজ্য বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে, তার কিছু নেপথ্য কারণ নিচে তুলে ধরা হলো: সরকারি পদের ক্ষমতার অপব্যবহার

সরকারি পরিচয় বা পদকে নানটু লালের মতো অপরাধীরা একটি “নিরাপত্তা ঢাল” হিসেবে ব্যবহার করে। সরকারি কোয়ার্টার বা কলোনিতে থাকার সুবাদে তারা পুলিশের সাধারণ নজরদারির বাইরে থাকার সুবিধা পায়। নিজেদের সরকারি স্টাফ পরিচয় দিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখায়, যার ফলে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না।

২.প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার ঘাটতি ও আইনিফাঁকফোকর

রেলওয়ের মতো বড় সংস্থায় নিচু পদের কর্মচারীদের দৈনন্দিন কার্যক্রমের ওপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর তদারকির অভাব থাকে। তাছাড়া, সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা (যেমন: চাকরিচ্যুতি) নিতে দীর্ঘ বিভাগীয় তদন্ত ও আদালতের রায়ের প্রয়োজন হয়। মামলার রায় হতে বছরের পর বছর সময় লাগার এই সুযোগটিই মাদক কারবারিরা গ্রহণ করে।
৩.স্থানীয় প্রভাব ও সিন্ডিকেট

একটি পুরো কলোনি (যেমন: ভার্থখলা সুইপার কলোনি) জুড়ে যখন একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে, তখন সেখানে একক কোনো ব্যক্তির চেয়ে পুরো চক্রটি বেশি সক্রিয় থাকে। নানটু লাল, বিললু লাল বা রিপন লালের মতো ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের ছত্রছায়ায় থাকে। এই কারণে তারা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে বা সাময়িক অভিযানের ধকল সামলে নিয়ে পুনরায় সক্রিয় হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd