সেলিম রেজা আশুলিয়া প্রতিনিধি।। আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি, খারিজ ও খাজনা সংক্রান্ত সেবা নিয়ে একের পর এক অভিযোগের মধ্যে এবার প্রশ্ন উঠেছে-নায়েব নাসিরের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়? স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি অফিসের নিয়মিত কার্যক্রমে কাউসারের প্রভাব নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও তাকে ঘিরে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
বরং নায়েব নাসিরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কাউসারকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে-এমন অভিযোগ রয়েছে।
সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, নামজারি ও খারিজের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে সরকারি ফির বাইরে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। কাউসারের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
আরও অভিযোগ, কাউসারের অধীনে চার থেকে পাঁচজন ব্যক্তি ভূমি অফিসের বিভিন্ন কাজে সক্রিয়। তারা সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র সংগ্রহ থেকে শুরু করে নামজারি, খাজনা ও খারিজের কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে স্থানীয়দের দাবি।নাসির-কাউসার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয়দের প্রশ্ন-কাউসার যদি ভূমি অফিসের বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী না হন, তাহলে তিনি কী ক্ষমতাবলে নিয়মিতভাবে ভূমি-সংক্রান্ত সরকারি কার্যক্রমে যুক্ত থাকেন? তার পারিশ্রমিকের উৎস কী? কার অনুমোদনে তিনি এসব কাজ করেন?
এমনকি স্থানীয় পর্যায়ে দাবি করা হচ্ছে, নায়েব নাসিরকে শিমুলিয়া ভূমি অফিসে বদলি করে আনার পেছনেও কাউসারের ভূমিকা রয়েছে এবং এ জন্য ৬ লাখ টাকা লেনদেনের কথা লোকমুখে শোনা যায়।
তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রামাণ্য নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। তাই প্রশ্ন উঠছে-কাউসারের পেছনে কি সত্যিই কোনো প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদ রয়েছে? নাকি নায়েব নাসিরের নিজেরই কোনো অদৃশ্য ‘খুঁটির জোর’ রয়েছে? তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসতে পারে রহস্য স্থানীয়দের দাবি, শিমুলিয়া ভূমি অফিসের নামজারি-খারিজের নথি, সরকারি রাজস্ব জমার হিসাব, সংশ্লিষ্ট অনলাইন আইডির কার্যক্রম এবং অফিসে নিয়মিত কাজ করা ব্যক্তিদের পরিচয় ও দায়িত্ব তদন্ত করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা বেরিয়ে আসতে পারে।