• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরীর ২নং রায়গঞ্জ ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে মো. ইউসুফ আলীর প্রার্থিতা ঘোষণা শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দালাল কাউসার ছাড়া সেবা দেন না নায়েব নাসিরউদ্দিন শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ও কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে: ফজলুল হক মিলন ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ নারী-পুরুষ-শিশু—সব বয়সের পোশাকে জমজমাট ‘আড়ং ফ্যাশন’ বুড়িচংয়ের হারিজ খান প্লাজায় পোশাকের বাহারি আয়োজন নিয়ে ‘আড়ং ফ্যাশন’ নাগেশ্বরী শিশু বিতান স্কুলে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ দক্ষিণ সুরমায় জুয়ার থাবায় বিপথগামী যুবসমাজ ফুলতলায় চোলাই মদ ও ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সাভারে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় হতে গ্রাম আদালতের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন

শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দালাল কাউসার ছাড়া সেবা দেন না নায়েব নাসিরউদ্দিন

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার সেলিম রেজা

সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী ঘুষ ও দুর্নীতি সিন্ডিকেট। অফিসের নায়েব (ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা) নাসিরউদ্দিন ও তার আস্থাভাজন কাউসার দালাল চক্রের যোগসাজশে প্রতিদিন জিম্মি হচ্ছেন শত শত সেবাগ্রহীতা। নামজারি, জমাভাগ, খাজনা কিংবা পর্চা তোলা টাকা ছাড়া মিলছে না কোনো সেবাই।

‎​সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ১৫০ টাকার নামজারি ফি’র স্থানে দালাল চক্র সর্বনিম্ন ৬ হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করছে। অফিসের নায়েব নাসিরউদ্দিনের সহযোগী হিসেবে পরিচিত কাওসার নামে এক দালাল পুরো কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে নায়েব নাসিরউদ্দিনকে পুনরায় এই অফিসে বদলি করে আনা হয়েছে, যাতে আগের মতোই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বহাল থাকে। বর্তমানে এই অফিস থেকে প্রতি মাসে অন্তত ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

‎​অফিসের মূল দরজার বাইরে এবং পাশেই গড়ে উঠেছে দালালদের নিজস্ব ‘চেম্বার’। কোনো সেবাগ্রহীতা কাগজপত্র নিয়ে প্রাঙ্গণে এলেই পিছু নেয় দালাল চক্রের সদস্যরা। চক্রের অন্যতম সদস্য কাওসার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো এবং ভুল বুঝিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

‎কাউসার নামের এই দালাল সরাসরি অফিসের ভেতরে চেয়ারে বসেই অনায়াসে ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করেন, যার ওপর কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিনের কোনো নজরদারি বা বাধা নেই। কাজের জন্য সরাসরি নায়েবের কাছে গেলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয় বা জটিল ওয়ারিশ সনদের তাগিদ দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। অথচ দালাল মারফত চুক্তি করলেই দ্রুত মিলছে সমাধান।

‎​ভুক্তভোগী মোয়াজ্জেম জানান, জমির সমস্যার কারণে অফিসে গেলে এক দালাল সরাসরি বলেন, নায়েব নাসিরউদ্দিনকে ১ লাখ টাকা দিলে কাজটি সমাধান হবে।

‎অন্য এক ভুক্তভোগী নিরব জানান, একটি সাধারণ কাজের জন্যও তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে দালালরা।পরে তিনি কাজ না করে চলে আসেন।

‎ডেন্ডাবর এলাকার এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও নায়েব সরাসরি ফাইল জমা নেন না। দালাল ধরলেই সব সহজ হয়ে যায়।”

‎​এছাড়া নায়েব নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দীর্ঘদিন একই পদে থাকা এই কর্মকর্তা পটপরিবর্তনের পরও বহাল তবিয়তে রয়ে গেছেন।

‎সরকারি গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ নথি দালালদের হাতে ছেড়ে দিয়ে সন্ধ্যার পর নায়েব ও দালালদের মধ্যে অবৈধ অর্থ ভাগাভাগি চলে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

‎​অভিযোগের বিষয়ে নায়েব নাসিরউদ্দিনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd