• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কোন দেশের সাথে প্রভুত্ব নয়—রাষ্ট্রের স্বার্থেই চাই বন্ধুত্ব ফজলুল উলুম মাদরাসার কমিটি গঠন: সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আছমত আলী ক্যাশ বাংলাদেশের নির্বাচনে পুনরায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব ডা. এম. এ কাদের খাঁন তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ সোশাল মিডিয়ায় ভুয়া ফেইক আইডি দ্বারা অপপ্রচার গোমতী নদীর পাড় সুরক্ষা ও ভাঙ্গন রোধে প্রয়াত এমপির প্রচেষ্টা ট্রেনের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! মধ্যনগরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ কাষ্ঠঘর থেকে একসাথে জুয়া খেলার অভিযোগে ৬ জন গ্রেফতার

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সুব্রতের পড়ালেখার দায়িত্ব নিল প্রভাতের হাসি সংগঠন

Reporter Name / ২৫০ Time View
Update : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

মোঃ ইলিয়াছ খান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

মেধাবী শিক্ষার্থী সুব্রত কুমার কুন্ডুর দায়িত্ব নিয়েছেন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রভাতের হাসি।
সংগঠনটির সহযোগিতায় পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এই সংগঠনের উপদেষ্টা ওনার গ্রুপের পরিচালক ও বিজিএম -এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোমান মিয়া। প্রভাতের হাসি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বিনো বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বল্লভদী ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে করছি। সুব্রতের অসাধারণ সাফল্য ও তার পরিবারের আর্থিক সংকট আমাদের হৃদয়ে স্পর্শ করে তাই তার ভর্তি থেকে শুরু করে তার যাবতীয় বই খাতা সবকিছু আমরা গ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ। এই কাজে রোমান মিয়া আর্থিক সহযোগিতা করবেন। গত (১১ জুলাই) বিকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সুব্রতকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

দারিদ্র্য জয় করে জিপিএ- ৫ পাওয়া সুব্রত কুমার কুন্ডু ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের বিষ্ণুদি গ্রামের বাসিন্দা। বাবা সুধির কুন্ডু একজন ক্ষুদ্র মুদি দোকানদার এবং মা গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে সুব্রত দ্বিতীয়। দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত হলেও পড়ালেখার প্রতি ভালোবাসা তাকে এগিয়ে রেখেছে সবার সামনে। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় তিনি বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে অংশ নেন। স্কুলটির পাশের হার যেখানে মাত্র ৩৩.৩৩ শতাংশ, সেখানে সুব্রত জিপিএ -৫ পেঊ সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

পরীক্ষার ঠিক আগে ঝরে আক্রান্ত হয়ে দুর্বল হয়ে পড়লেও মায়ের ভালোবাসা ও বাবার সাহস যুগিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। প্রতিটি পরীক্ষায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে অর্জন করেন কৃতিত্ব।

সুব্রতেরি মা-বাবার একটাই আকুতি, যদি কেউ এই মেধাবী ছেলেটার পাশে দাঁড়াতে, তাহলে সে হয়তো দেশের জন্য কিছু করতে পারতো।
সুব্রতের পাশে দাঁড়িয়ে সেই আকত্রীর জবাব দিয়েছেন প্রবাসীর হাসি ও ওয়ার গ্রুপ। এমন উদ্যোগে নিঃসন্দেহে সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd