• বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বুড়িচংয়ে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশের পর একাধিক গণমাধ্যমকর্মীকে প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলার হুমকি,জড়িতদের নাম সংগ্রহের চেষ্টা মধ্যনগরের এরণ বিলে জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০টি সেলু মেশিনে পানি নিষ্কাশন, প্রশাসনের সহায়তা চান কৃষকরা তানোরে সাংবাদিক টিপু সুলতানের মাতা জোসনারা বেওয়ার ইন্তেকাল আশুলিয়ায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে বাড়ী ও সুপার মার্কেটে হামলা ও ভাঙচুর, শ্লীলতাহানির অভিযোগ কুমিল্লায় ট্রেন-বাসের মর্মান্তিক সংঘর্ষ: তদন্তে অবহেলার চিত্র, নিরাপত্তায় ৮ দফা সুপারিশ বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নে ইউপি সদস্যের হুমকি ও অপপ্রচার, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পরিষদের কার্যক্রম! তানোরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান বাংলাদেশি গবেষকের নতুন এআই তত্ত্ব ‘হার্ট–ব্রেইন’ মডেলে ব্ল্যাক বক্স সমস্যার সমাধানের দাবি তানোরে এইচএসসি ১৯৯৮ ব্যাচের ঈদ পূর্ণমিলন ২৯ বছর পর মিলন মেলায় আবেগ আনন্দ আর বন্ধুত্বের বন্ধন তানোর ধানতৈর গ্রামে চাঞ্চল্যকর ঘটনা চুরির সন্দেহে গৃহবধূকে বেঁধে নির্যাতন, উদ্ধার করল পুলিশ

কারখানা বন্ধে বাড়ছে বেকারত্ব, সরকারের নীরবতায় প্রশ্ন : জুলকারনাইন সায়ের

Reporter Name / ২৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

দেশে শিল্পকারখানা বন্ধের হার আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর বেশিরভাগই গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলস সংশ্লিষ্ট, যার মধ্যে রপ্তানিনির্ভর শিল্পও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শ্রমিকের ওপর যদি তিনজন করে নির্ভরশীল সদস্য ধরা হয়, তাহলে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছে। অথচ এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।

জুলকারনাইন সায়ের আরও জানান, সরকারের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনৈতিক ইস্যুতে যেভাবে সোচ্চার, শ্রমিকদের এই দুর্দশায় তাদের তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়ছে না। এতে করে ‘ক্ষমতা না জনতা’ স্লোগানের বাস্তবতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd