• সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তাণ্ডব: জশনে জুলুসকে ‘রাজনৈতিক রং’দেওয়ার প্রতিবাদ ,জুলকারনাইন সায়েরের প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকালে শিক্ষিকা নিহ/তের ঘটনায় মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ২ আগামী ১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন প্রস্তুত হচ্ছে, জেলে-বনজীবী ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা তানোরে জমিতে পানি নিতে গিয়ে নিখোঁজ, একদিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার দণ্ডপ্রাপ্ত ও চাকরিচ্যুত কর্মচারী কীভাবে তিতাস গ্যাসের সিবিএতে সহ-সভাপতি? নাগেশ্বরীতে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুল হকের বার্তা নাগেশ্বরীতে ক্যাসিনো/জুয়ারি ১৯জন গ্রেফতার ৯জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সড়ক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে চালক-মালিকদের সচেতনতামূলক কর্মশালা

প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছিলেন গোলাপি, অবশেষে মিলল ক্ষতবিক্ষত দেহ

Reporter Name / ২৮৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ ফারুক সরকার

জেলা প্রতিনিধি (বগুড়া)

বগুড়া – শেরপুর মহাসড়কের পাশে রহস্যজনক মৃত্যু, প্রেমের টানে সংসার ও সন্তান ফেলে ঘর ছাড়লেন গোলাপি বেগম (২৮)। প্রিয়জনের হাত ধরে শুরু করেছিলেন নতুন জীবন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রেমই যেন পরিণত হলো মৃত্যুর ফাঁদে— ক্ষতবিক্ষত দেহ মিলল মহাসড়কের ধারে।

বগুড়ার শেরপুর ও শাজাহানপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ফারহানা ফিলিং স্টেশনের সামনে শুক্রবার সকালে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় মেলে— তিনি কাফুরা পূর্বপাড়া গ্রামের ইকবাল হোসেনের মেয়ে গোলাপি বেগম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্বামীর ঘরে গোলাপির দুটি সন্তান ছিল। কিন্তু একই উপজেলার টাউন কলোনী এলাকার বিবাহিত যুবক ইমনের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। একপর্যায়ে গোলাপিকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন ইমন। পরিবারের চাপে গোলাপিকে ফের বাড়ি আনা হলেও কিছুদিন পর তিনি আবার ইমনের সঙ্গে চলে যান।

দুই মাস ধরে তারা ফারহানা ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তবে সম্প্রতি ইমন আবার তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করলে গোলাপির সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ে। পরিবারের দাবি, গোলাপিকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করতেন ইমন।

গোলাপির চাচা জিয়াউল হক বলেন, “ইমন সবসময় গোলাপিকে মারধর করত। শেষ পর্যন্ত ওর প্রাণটাই কেড়ে নিল।”

হাইওয়ে শেরপুর থানার ওসি রইচ উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। মরদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড— তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।”

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd