• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী অনুষ্ঠান নাগেশ্বরী ভাওয়াইয়া একাডেমীর উদ্যোগে কছিম উদ্দিনের ৩৪তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত মাইজভাণ্ডার শরীফে ১২ দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখের জিয়ারত সিলেটে গলা কে*টে ব্যবসায়ীকে হ*ত্যা সিলেটে পুলিশের ৫ ঘণ্টার চিরুনি অভিযান, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ৬০ সিলেটে ১৬৫ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিলেট মহানগরীর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: রাজশাহীর নতুন পুলিশ সুপার মামুন অর রশিদের দায়িত্ব গ্রহণ এবং পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছানকে বিদায় তানোরে রোপা আমনের ভরা মৌসুমে তীব্র সার সংকট, সরকারি দামে মিলছে না ডিএপি ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষে বুড়িচংয়ে গাউসিয়া কমিটির নানা কর্মসূচি

তানোরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী অনুষ্ঠান

Reporter Name / ৭ Time View
Update : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

হামিদুর রহমান, তানোর রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর তানোরে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তানোর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এডিপি) ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তানোর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান। উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা শিবশঙ্কর বাসক উপস্থিত ছিলেন এবং উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছাড়াও শিক্ষক, সমাজকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
উন্নয়ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি এলাকার টেকসই উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্ভব নয়। শিশুদের সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবারকে সক্ষম করে তোলা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তানোর এলাকায় শিশু, পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন বক্তারা। বিশেষ করে শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পরিবারভিত্তিক সচেতনতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি এলাকার উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও সমাপনী অনুষ্ঠান’-এর মাধ্যমে তানোর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে সফল ও টেকসই করা সম্ভব নয়।
এ সময় তানোরের শিশু, পরিবার ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে বক্তারা ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে প্রত্যাশা
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি উন্নয়ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলেও শিশু ও জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে যে সচেতনতা ও সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, তা যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসব উদ্যোগের ইতিবাচক ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।
প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা তানোর এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, তানোর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের কার্যক্রমে সহযোগিতাকারী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
এ সময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়—তানোরের শিশু, পরিবার ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে গড়ে ওঠা সচেতনতা, অংশীদারত্ব ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd