• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বাইকের সেই মেয়েটি বেঁচে আছেন কচাকাটা থানার ওসির সঙ্গে নাগেশ্বরী অনলাইন প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় ঘুষ ও দূর্নীতির দায়ে তানোর ভূমি অফিসের কর্মচারী ইমরুল কাশেম বরখাস্ত কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৭০ পিস ইয়াবা, মাদকসহ দুই জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাজধানীতে লাখো মানুষের জশনে জুলুস মহানবী (দ.)-এর আদর্শ অনুসরণে সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান — শাহ সুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী নাগেশ্বরীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. জাহিদুল ইসলাম কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ নিরাপদ খুলনা চাই ফুলতলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় ‘খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণ-আন্দোলন গড়ে তুলুন’ শীর্ষক উলামা ও সুধী সমাবেশ তানোরে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কদমতলী টার্মিনালে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মর/দেহ উদ্ধার,

আশুলিয়ায় ৫ বছরের শিশু তাসিন হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামি সাইফুল গ্রেফতার

Reporter Name / ৯২ Time View
Update : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, সেলিম রেজাঃ

আশুলিয়ায় চাঞ্চল্যকর ৫ বছরের শিশু আব্দুর রহমান তাসিন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. সাইফুল ইসলাম (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে আশুলিয়া থানার কর্মকর্তার কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস-উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় তিনি বলেন, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়ার ভাদাইল পশ্চিমপাড়ার মো. হারুন অর রশিদের তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মো. শহিদ মিয়া বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা (নম্বর-১১৫, ধারা: ৩০২/২০১/৩৪) দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই (নিরস্ত্র) মো. রাসেল আহম্মেদ।

তিনি আরও বলেন,ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের দিকনির্দেশনায় পুলিশ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে মো. সাইফুল ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে-একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ,দুই টুকরা ইলাস্টিক, এবংঘরের মেঝে ও খাটের নিচ থেকে চাল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, উদ্ধারকৃত এসব আলামতের সঙ্গে শিশুটির মরদেহ পাওয়ার স্থানের আলামতের হুবহু মিল রয়েছে। আলামত মিল পাওয়ার পর সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ সাইফুলকে দুই দফায় মোট দুই দিনের রিমান্ডে নেয়। রিমান্ডে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন ওই অভিযুক্ত যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হলেও এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য কী ছিল কিংবা সাইফুলের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ঈশান ও আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd