• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ক্যাশ বাংলাদেশের নির্বাচনে পুনরায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব ডা. এম. এ কাদের খাঁন তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ সোশাল মিডিয়ায় ভুয়া ফেইক আইডি দ্বারা অপপ্রচার গোমতী নদীর পাড় সুরক্ষা ও ভাঙ্গন রোধে প্রয়াত এমপির প্রচেষ্টা ট্রেনের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! মধ্যনগরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ কাষ্ঠঘর থেকে একসাথে জুয়া খেলার অভিযোগে ৬ জন গ্রেফতার বুড়িচংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাঁদপুর সফর উপলক্ষে মতবিনিময় সভা তানোরে শিব নদীর বাঁধ ঘেঁষে গড়ে উঠছে হাঁস খামার

রাতের আঁধারে তেলের কারবার: গোবিন্দগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ফাঁস অবৈধ মজুতের চক্র

Reporter Name / ৪৩৬ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও অনিয়মিত বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। প্রশাসনের এমন অভিযানে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার কামদিয়া বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে প্রশাসনের নজরে আসে কামদিয়া বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর কার্যক্রম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতের বেলায় হঠাৎ অভিযান চালানো হলে অবৈধ মজুতের বিষয়টি সামনে আসে।

অভিযানে স্থানীয় মুদি দোকানি আলম মিয়ার দোকানে তল্লাশি চালিয়ে ১৫০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি অনুমোদন ছাড়া ডিজেল মজুত করে খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রির পরিকল্পনা করছিলেন। এ অপরাধে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

একই অভিযানে “মেসার্স আশা এন্টারপ্রাইজ” নামে একটি মিনি ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাদশা মিয়া মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করে জ্বালানি তেল বিক্রি করছিলেন। এছাড়া অসাধু উপায়ে তেল বিক্রির অভিযোগও উঠে আসে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খান বলেন, “অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও লাইসেন্সবিহীন/মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে বিক্রি করা গুরুতর অপরাধ। সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ধারা ৪(খ) লঙ্ঘনের দায়ে ধারা ২০(১)(ক) অনুযায়ী তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও কেউ জ্বালানি তেল নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত মূল্য আদায় কিংবা অবৈধ মজুত কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। নিয়মিত বাজার তদারকি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং সাধারণ ভোক্তারা হয়রানির শিকার হবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd