• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কোন দেশের সাথে প্রভুত্ব নয়—রাষ্ট্রের স্বার্থেই চাই বন্ধুত্ব ফজলুল উলুম মাদরাসার কমিটি গঠন: সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আছমত আলী ক্যাশ বাংলাদেশের নির্বাচনে পুনরায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব ডা. এম. এ কাদের খাঁন তানোরে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ১৮টি বকনা বাছুর বিতরণ সোশাল মিডিয়ায় ভুয়া ফেইক আইডি দ্বারা অপপ্রচার গোমতী নদীর পাড় সুরক্ষা ও ভাঙ্গন রোধে প্রয়াত এমপির প্রচেষ্টা ট্রেনের টয়লেট থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ উন্মুক্ত টেন্ডারের নামে জালিয়াতি করে হাট বরাদ্দের অভিযোগ ! মধ্যনগরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ কাষ্ঠঘর থেকে একসাথে জুয়া খেলার অভিযোগে ৬ জন গ্রেফতার

ভান্ডারিয়ায় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী কর্তৃক মাদ্রাসাছাত্রী নিয়ে পালানোর বিচার না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সপ্তাহ ধরে ক্লাশ বর্জন

Reporter Name / ৬০১ Time View
Update : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫

পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার নদমুলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়ানে নদমুলা ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মো. সাব্বির হোসেন মাদ্রাসার এক দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। সম্প্রতি তিনি মাদ্রাসায় যোগদানের চেষ্টা করলে এলাবাসীর বাধার মুখে পড়েন। এতে ওই কর্মচারি যোগদান করতে পারেননি। অভিযুক্ত নিরাপত্তা প্রহরী ভান্ডারিয়ার নদমূলা গ্রামের মো, আনছার উদ্দিন এর ছেলে।
অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সুপার অভিযুক্ত কর্মচারিকে দায়সারা শোকাজ দিয়ে এ বিষয়ে নিরব রয়েছেন। এমন অভিযোগে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা গত ১৩ আগষ্ট থেকে অনির্দৃষ্ট কালের জন্য ক্লাশ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে গত আট দিন ধরে মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করলে তিনি অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেনীর কার্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তবে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত মাদ্রাসার কোনও শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাননি।
এ নিয়ে অভিভাবক ও এলাকাবাসির মাঝে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ওই কর্মচারিকে মাদ্রায় যোগদানে বাঁধা দিয়ে ২৪ জন অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ক্ষুব্দ এলাকাবাসি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন।
জানা গেছে, নদমুলা ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মো. সাব্বির হোসেন গত পাঁচ মাস আগে মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর এক অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর গত পাঁচ মাস ধরে বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম বিবাহ বহির্ভূতভাবে পলাতক থাকেন। যাহা বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ (২০১৭ সনের ৬ নং আইন) এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) এর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের চাকুরি বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী আইনত অপরাধ । এ অনৈতিক ঘটনায় মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী,অভিভাবক সহ গ্রামবাসির মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। শিক্ষার পরিবেশগত সমস্যা সৃষ্টি হয়। এতে মাদ্রাসায় নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমতে শুরু করে।
এ ব্যাপারের মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট এ.কে.এম শাহজাহান এর সাথে যোগাগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।।
এ বিষয়ে ভাÐারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহানা আক্তার বলেন, মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী মো. সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় তদন্ত করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক সকল ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় ফিরে আসার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd