• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ফকিরহাটে ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এন্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটির উপজেলা কমিটি গঠন ও অনুমোদন দক্ষিণ সুরমায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘তীর জুয়া’র রমরমা আসর: নেপথ্যে অন্তরের মা জুবেদা বেগম মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর সাথে নাগেশ্বরীর সাকিবুল আলমের সাক্ষাৎ ​কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় বর্ধিত সভায় নাগেশ্বরীর সাইফুর রহমান দুলাল-এর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও অংশগ্রহণ ভান্ডারিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন,সভাপতি জাহিদ সম্পাদক শামীম রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ম/র/দে/হ উদ্ধার বুড়িচংয়ের কণ্ঠনগরে জানাজার নামাজের স্থান সংস্কারে সমাজসেবক আলহাজ্ব ওমর ফারুকের উদ্যোগ এক দিন পরই বাড়ল সোনার দাম, আজ ভরিতে ২,১৫৮ টাকা ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনকে কারাদণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি একজন খলনায়ক থাকতেই হবে?

দক্ষিণ সুরমায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘তীর জুয়া’র রমরমা আসর: নেপথ্যে অন্তরের মা জুবেদা বেগম

Reporter Name / ৯ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

আহমেদ আকবর

সিলেট

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকার ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা পট্টিতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিন-রাত চলছে অবৈধ ‘তীর জুয়া’র (ডিজিটাল লটারি) রমরমা আসর।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, চিহ্নিত নারী মাদক ও জুয়া কারবারি ‘অন্তরের মা জুবেদা বেগম’-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় কিছু অসাধু ও প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় (শেল্টার) এই অপরাধ চক্র গড়ে ওঠায় দিন দিন এলাকার সামাজিক পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতের মেঘালয় ও শিলং থেকে পরিচালিত এই ‘তীর জুয়া’র ফাঁদে পড়ে প্রতিদিন নিঃস্ব হচ্ছে দক্ষিণ সুরমার শত শত শ্রমজীবী মানুষ, তরুণ ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই বাজি ধরা হয়।

জুবেদা বেগমের বিশ্বস্ত কিছু ‘টোকেন এজেন্ট’ বা বুকি কুমিল্লা পট্টিসহ আশেপাশের এলাকায় গোপনে এই জুয়ার টোকেন বিক্রি করে। বর্তমানে সশরীরে ছাড়াও বিভিন্ন স্মার্টফোন অ্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই চক্র তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এলাকাটি জিআরপি বা রেলওয়ে থানা এবং দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের আওতাধীন হওয়া সত্ত্বেও এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এই চক্রটি বারবার ছাড় পেয়ে যাচ্ছে।

মাঝেমধ্যে লোকদেখানো ছোটখাটো অভিযান হলেও মূল হোতা জুবেদা বেগম এবং তার সহযোগীরা বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ জুয়ার বোর্ড থেকে প্রতিদিনের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ স্থানীয় কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির পকেটে যায়।

বিনিময়ে এই অপরাধীরা পায় শক্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ‘শেল্টার’।এই তীর জুয়ার সর্বনাশা থাবায় কুমিল্লা পট্টি ও এর আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক যুবক জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসার মতো মারাত্মক অপরাধে। ভেঙে পড়ছে অসংখ্য মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের সংসার।এলাকার সচেতন মহলের দাবি, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং কুমিল্লা পট্টিকে অপরাধমুক্ত করতে অবিলম্বে জুবেদা বেগম ও তার পেছনের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা হোক।

অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে কঠোর সামাজিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এই বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারি এবং জরুরি অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd