• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে জয়পুরহাট সদর উপজেলাকে হারিয়ে কালাই উপজেলা চ্যাম্পিয়ন সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন ভান্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে মাদক মামলার ২ আসামি গ্রেফতার, বুড়িচংয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত, শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান নাগেশ্বরীতে বকুলতলা সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের বেহাল অবস্থা, সংস্কারের দাবি ভিটেহীন বৃদ্ধা এজি বেগমের মাথা গোঁজার ঠাঁই: ঘর সম্পন্ন ও স্যানিটেশন সুবিধায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান মধ্য মমিনগঞ্জ জামে মসজিদের মেহরাবের টাইলস দিলেন হাজী সোহেল কালিয়াকৈর বাজারে ১২ কেজি জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ, পরে বিনষ্ট ‎আশুলিয়ায় প্রবাসির স্ত্রী রোকসানা বেগমকে কু/পি/য়ে হ/ত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা তানোরে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন

দক্ষিণ সুরমায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘তীর জুয়া’র রমরমা আসর: নেপথ্যে অন্তরের মা জুবেদা বেগম

Reporter Name / ১৬৮ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

আহমেদ আকবর

সিলেট

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকার ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা পট্টিতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিন-রাত চলছে অবৈধ ‘তীর জুয়া’র (ডিজিটাল লটারি) রমরমা আসর।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের অভিযোগ, চিহ্নিত নারী মাদক ও জুয়া কারবারি ‘অন্তরের মা জুবেদা বেগম’-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় কিছু অসাধু ও প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় (শেল্টার) এই অপরাধ চক্র গড়ে ওঠায় দিন দিন এলাকার সামাজিক পরিবেশ বিষিয়ে উঠছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারতের মেঘালয় ও শিলং থেকে পরিচালিত এই ‘তীর জুয়া’র ফাঁদে পড়ে প্রতিদিন নিঃস্ব হচ্ছে দক্ষিণ সুরমার শত শত শ্রমজীবী মানুষ, তরুণ ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই বাজি ধরা হয়।

জুবেদা বেগমের বিশ্বস্ত কিছু ‘টোকেন এজেন্ট’ বা বুকি কুমিল্লা পট্টিসহ আশেপাশের এলাকায় গোপনে এই জুয়ার টোকেন বিক্রি করে। বর্তমানে সশরীরে ছাড়াও বিভিন্ন স্মার্টফোন অ্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই চক্র তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এলাকাটি জিআরপি বা রেলওয়ে থানা এবং দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের আওতাধীন হওয়া সত্ত্বেও এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এই চক্রটি বারবার ছাড় পেয়ে যাচ্ছে।

মাঝেমধ্যে লোকদেখানো ছোটখাটো অভিযান হলেও মূল হোতা জুবেদা বেগম এবং তার সহযোগীরা বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ জুয়ার বোর্ড থেকে প্রতিদিনের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ স্থানীয় কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির পকেটে যায়।

বিনিময়ে এই অপরাধীরা পায় শক্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ‘শেল্টার’।এই তীর জুয়ার সর্বনাশা থাবায় কুমিল্লা পট্টি ও এর আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক যুবক জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসার মতো মারাত্মক অপরাধে। ভেঙে পড়ছে অসংখ্য মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের সংসার।এলাকার সচেতন মহলের দাবি, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং কুমিল্লা পট্টিকে অপরাধমুক্ত করতে অবিলম্বে জুবেদা বেগম ও তার পেছনের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা হোক।

অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে কঠোর সামাজিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এই বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারি এবং জরুরি অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd