• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেট ওসমানী মেডিকেলে অনিয়মের পাহাড়: অসহায় রোগীদের পকেট কাটছে দালাল ও অসাধু কর্মচারীরা নাগেশ্বরীতে ​সারের সঠিক দাম নিশ্চিত ও কৃষকের হয়রানি বন্ধের দাবিতে কৃষক মজুর সংহতির স্মারকসংলিপি প্রদান ফুলতলার গাড়াখোলা হাই স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি’র সংবর্ধনা কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৭ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১২৪ কেজি গাঁজা ও ৩১০ ইয়াবা মিছিল আর স্লোগানে মুখরিত বুড়িচং, বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী তানোরে নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন, খুলছে টোলমুক্ত সার্ভিস সেতু নবনিযুক্ত রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ডিআইজি আশিক সাঈদের সৌজন্য সাক্ষাৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সিলেট ওসমানী মেডিকেলে অনিয়মের পাহাড়: অসহায় রোগীদের পকেট কাটছে দালাল ও অসাধু কর্মচারীরা

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আহমেদ আকবর

সিলেট

সিলেটের প্রধান সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চরম অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মনগড়া ডিউটি শিডিউল, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং দালালদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ ও অসহায় রোগীরা প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সরকারিভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও খাবার পাওয়ার কথা থাকলেও রোগীদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার টাকা।ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে সরকারিভাবে রোগীদের দুই বেলা পর্যাপ্ত ও মানসম্মত খাবার দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক রোগীকে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে টাকা দিয়ে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। হাসপাতালের ভেতরের খাবার বণ্টন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়ম চলছে বলে জানা গেছে।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের চিত্র আরও ভয়াবহ। শয্যা সংকটের কারণে একটি বেডেই ৩ থেকে ৪ জন শিশুকে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, যা একই সাথে অস্বাস্থ্যকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই সুযোগে পুরো হাসপাতাল জুড়ে সক্রিয় রয়েছে শক্তিশালী দালাল চক্র।

এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর শেল্টারে বা আশ্রয়ে দালালরা প্রকাশ্যেই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুর ঘুর করে এবং অসহায় রোগীদের বিভ্রান্ত করে অর্থ হাতিয়ে নেয়।হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়দের বিরুদ্ধেও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। অসংখ্য রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ওয়ার্ড বয়দের নির্দিষ্ট অঙ্কের ‘বকশিশ’ বা ঘুষ না দিলে রোগীদের কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না। ট্রলি আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে বেড দেওয়া—সবখানেই টাকা ছাড়া যেন কোনো কাজই হতে চায় না।সবচেয়ে বড় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে হাসপাতালের ডেলিভারি (প্রসূতি) ওয়ার্ডে। ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রসূতি মায়েদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের একাংশ বা নার্সরা যে পরিমাণ ওষুধের তালিকা লিখে দেন, তার একটি বড় অংশই থাকে বাড়তি বা অপ্রয়োজনীয়।

ডেলিভারি সম্পন্ন হওয়ার পর সেই সব বাড়তি ওষুধ রোগীদের ফেরত না দিয়ে হাসপাতাল থেকেই আবার অন্য জায়গায় বা ফার্মেসিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়।সরকারি এই হাসপাতালে যেখানে নামমাত্র মূল্যে সব ধরনের চিকিৎসা পাওয়ার কথা, সেখানে পদে পদে সাধারণ ও দরিদ্র মানুষদের কাছ থেকে নানা কায়দায় হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেট চক্র। সাধারণ মানুষ এই ভয়াবহ অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত হাসপাতাল প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও আইনি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

bdit.com.bd