মো : আব্দুল মোতালিব খান
সিলেট প্রতিনিধি
জনগনের মনের মধো একটা আতংক সৃষ্টি হয়ে গেছে মাঝ রাতে সরকারি এম্বুলেন্সে আগুন গাড়ির গ্যারেজের ভিতরে আগুন কারখানার ভিতরে আগুন শুধু আগুন তান্ডব শুরু হয়ে গেছে। আবার যখনই সুযোগ পায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাএলীগ ও যুব লীগের কিছু নেতা কমী মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে এবং আতংক তৈরি করে তাদের এই কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের উপর যেমন চাপ সৃষ্টি হয় জনগণের ভিতর একটি ভয়ের সঞ্চার হয় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ ভালো করেই অনুধাবন করতে পারছে তাদের আর রাজনীতি বাংলাদেশের সম্ভব নয় তাই তারা এখন শুধু দেশের ভিতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে । কিন্তুু এই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ আমাদের এই সমাজের ভিতরেই আছে তারা তো চাঁদের দেশ থেকে নেমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আবার চাঁদের দেশে চলে যায় না এরা কোন না কোন এলাকায় ফ্লাট বাসা কলোনি বস্তি কারো না কারো সহযোগিতায় এসবের মধ্যেই গা ঢাকা দিয়ে থাকে কারন কারো পরিচিত না হলে কেউ বাসা ভাড়া দেয় না এই নিশিদ্ধ সংগঠনকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এখন সামাজিক ভাবেই তাদের বয়কট করতে হবে। এবং এই নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর ব্যবসা বানিজ্য কারা দেখা শুনা করছে তাদের সকল টাকা-পয়সার জিম্মাদারী নিচ্ছে তাদেরকে কোন একটি রাজনৈতিক দলে পূর্ণবাসন করার চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছে অনেক কে দেখেছি ছাএ লীগ করতো কিছু দিন গা ডাকা দিয়ে এখন বেরিয়ে এসে আরেক টি দলের নেতা কমী দের মেনেজ করে তাদের আশ্রয় শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে শুধু ঘুরে বেড়াচ্ছে না ভালো হ্যাডামের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাই বলি আমরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ধরতে বারবার প্রশাসনকে চাপ না দিয়ে আমরা তাদের হেফাজতের জিম্মাদারী বাদ দিয়ে প্রশাসনের হাতে তুলে দিই যে যে দলের রাজনীতি করুক যদি কোন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় তাদের বিরুদ্ধে দল থেকে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না হলে শস্যার মধ্যে ভূত থেকে যাবে সকল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যাতে পূর্ণবাসন না হয় এক থাকতে হবে এবং নিজ নিজ দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিতে হবে এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কোন নেতা কর্মীর সাথে রাতের আঁধারে ওঠাবসা করা যাবে না কোন প্রকার আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না এর পরে ও যদি নির্দেশ অমান্য করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।