স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ রবিউল ইসলাম রবি
আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোস্তাক আহমেদকে ঘিরে সম্প্রতি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা–সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।
জানা যায় মোস্তাক আহমেদ নিজেকে রাজনীতির বাইরে দাবি করলেও তার পরিবারিক রাজনৈতিক পটভূমি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোস্তাক আহমেদের শ্বশুর প্রয়াত শাহাবুদ্দিন মাদবর এলাকায় একজন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তার সমন্ধি আরিফ মাদবর বর্তমানে আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তার বোন মুক্তা পারভীন যুব মহিলা লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেত্রী।
৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর আওয়ামী দোসর নেতাকর্মীরা পলাতক, এই সুযোগে মোস্তাক আহমেদ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে সম্পৃক্ততা গড়ে তোলে চালাচ্ছেন বিভিন্ন অপকর্ম।
বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা আইনি জটিলতা না থাকাশ কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।
এলাকার কিছু বাসিন্দা আরও দাবি করেন, পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন গোষ্ঠীর নেতাকর্মীদের সংগঠিত ও সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে মোস্তাক আহমেদ ভূমিকা রাখছেন।
অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, গত ১৩ তারিখ সরকার মার্কেট এলাকার আলিফ পরিবহন ও মেডলার গার্মেন্টসের সামনে পিকআপ ভ্যানে (অগ্নিকাণ্ড বা নাশকতার ইঙ্গিত) ঘটনার সঙ্গেও মোস্তাক আহমেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে।
এতো অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে দাবি করেন কিছু বাসিন্দা।
তবে এঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।