• বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
তানোরের চান্দুরিয়া ইউনিয়ন বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা, সচেতনতা ধরে রাখার আহ্বান বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কুমিল্লা জেলা কমিটি অনুমোদন, মো. শাহজাহান বাশার নির্বাহী সদস্য মনোনীত কুমিল্লায় ১১১ সদস্য বিশিষ্ট সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি অনুমোদন দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের অভিযানে ১০০ (একশত) পিস ইয়াবাসহ ০১ (এক) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার: সুইপার কলোনিতে নান্টুর মাদক সাম্রাজ্য সচল রেখেছে ভাই রিপন লাল নিউজ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ব্রাহ্মণপাড়া মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিলেটে রহস্যজনক ভাবে স্ত্রীর সন্তান নিখোজ পুলিশের অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা ১০ দিনেই উঠে যাচ্ছে নতুন রাস্তার পিচ! ফকিরহাটে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, ধসে পড়েছে অংশবিশেষ— ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

স্কুল না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষায় পিছিয়ে বান্দ্রা গ্রামের শিশুরা

Reporter Name / ৩৮৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শিহাব মিয়া, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

মধ্যনগর উপজেলার ১নং উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বান্দ্রা গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় স্থানীয় শিশুরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের অভাবে শিক্ষার্থীদের মহিষখলা, কার্তিকপুর ও সাউথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে।

বিদ্যালয়ে যেতে শিশুদের পার্শ্ববর্তী নদী পার হতে হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে নদীর স্রোত বেড়ে গেলে ছোট নৌকায় পারাপার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুদের স্কুলে যেতে হচ্ছে। একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হলে তাদের দুর্ভোগ কমবে এবং শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

এ বিষয়ে মহিষখলা গ্রামের হাদিরুজ্জামান বলেন, “বিদ্যালয় না থাকায় শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছে। এতে অনেকেই নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছে না। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।”

অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, বান্দ্রা গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd