জাহিদ হাসান
স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
বাংলাদেশের ইতিহাসে বারবার প্রমাণিত হয়েছে—সাংবাদিকরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার যোদ্ধা। তারা সমাজে লুকিয়ে থাকা অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অন্যায়ের খবর তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি সমাজ ও রাষ্ট্রকে আলোকিত করার এক নিরলস সংগ্রাম।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজকের দিনে সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে। অনেক সময় তারা সন্ত্রাস, ক্ষমতার দাপট কিংবা প্রভাবশালী মহলের হুমকির সম্মুখীন হন। কোথাও কোথাও তাদের ওপর হামলা হয়, মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় কিংবা চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়। অথচ, যেখানে সন্ত্রাস অন্ধকার ছড়ায়, সেখানে সাংবাদিকরাই সত্যের আলো জ্বালিয়ে দেন। তাদের হাতেই সমাজ পায় দিকনির্দেশনা, দেশ খুঁজে পায় উন্নতির সঠিক পথ।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখা। কারণ সাংবাদিকরা যদি বেঁচে না থাকেন, যদি তাদের কণ্ঠরোধ করা হয়—তাহলে সাধারণ মানুষ সত্য থেকে বঞ্চিত হবে, রাষ্ট্র হবে অন্ধকারে নিমজ্জিত। স্বাধীন সাংবাদিকতা না থাকলে গণতন্ত্রও টিকে থাকতে পারবে না।
আজকের প্রজন্মের জন্য একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সাংবাদিকদের টিকে থাকার সুযোগ করে দিতে হবে। তাদের পেশাগত স্বাধীনতা, মত প্রকাশের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে সাংবাদিকবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে।
অবশেষে বলা যায়—আগামী প্রজন্মকে আলোর পথে এগিয়ে নিতে হলে সাংবাদিকদের বাঁচিয়ে রাখা অপরিহার্য। সাংবাদিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, আর সাংবাদিকের কণ্ঠরুদ্ধ হলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ভূপাতিত হবে।