• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ফকিরহাটে ৮০ পিস ইয়াবা-সহ দুই বিক্রেতা আটক নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড সুপারভাইজার নিয়োগে চরম দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সমাজসেবা অফিসার জামাল হোসেন ভাটারায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার সরকারি খাল দখলমুক্ত করার দাবিতে রামপালে সংবাদ সম্মেলন দক্ষিণ সুরমার চিহ্নিত অপরাধ স্পটগুলোতে যুবসমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কঠোর হুঁশিয়ারি রামপালে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক যুব সমাবেশ ও কুইজ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে ২০০ বোতল ESkuf সিরাপসহ দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার বাগেরহাটে অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু অভিযোজন নিয়ে কর্মশালা শহীদের খসড়া ফাইল গায়েব করেই পার! সিসিকের তিন এসেসরকে না সরালে ডুববে রাজস্ব দক্ষিণ সুরমায় মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নাগেশ্বরীতে ফ্যামিলি কার্ড সুপারভাইজার নিয়োগে চরম দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে সমাজসেবা অফিসার জামাল হোসেন

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি

নাগেশ্বরী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার নিয়োগ পরীক্ষায় চরম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির আতুর ঘর হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা অফিসকে।

তথ্য ও গোপনে তোলা ছবিতে দেখা যায়, একজন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে “সিলেক্ট” লেখা হলেও পরে তা কেটে “নো” লিখে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় একই ব্যক্তির নাম পরপর দুইটি সিরিয়ালে প্রকাশ হয়েছে।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম রসুল রাজা ইউএনও বরাবর অভিযোগ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার নিয়োগ পরীক্ষায় যেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেউ না থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকাশিত তালিকায় ছাত্রলীগের এক কর্মীর নাম দেখা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, এই নিয়োগে মেধার চেয়ে নেতাদের রেফারেন্স ও টাকার খেলা হয়েছে। স্বচ্ছতার অভাবে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আপনাদের বলা অভিযোগগুলো আমরা লিখে নিয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তীতে আপনাদের জানানো হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে উপজেলাজুড়ে ক্ষোভ ও আলোচনা চলছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে স্বজনপ্রীতি, নিয়োগে অনিয়ম এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার ঘাটতি সংক্রান্ত নানা অভিযোগে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেন। সাধারণ সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় নানা মহলে ক্ষোভ এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি বা জনআস্থার মাঝে তিনি এখন এক চরম চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখোমুখি।

​সম্প্রতি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী পদের চূড়ান্ত তালিকায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্বজনদের স্থান দেওয়ার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।নিয়োগ ও প্রশাসনিক সংক্রান্ত বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী বা সাধারণ মানুষের প্রশ্নের জবাবে সরাসরি অবস্থান না জানিয়ে তা এড়িয়ে যাওয়া কিংবা সঠিক তথ্য প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশের কারণে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শুধু নিয়োগে অনিয়মই নয়, অতীতে এইচএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কার্যক্রমে ‘ট্যাগ কর্মকর্তা’ হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অনুপস্থিতি নিয়েও নানামুখী অভিযোগ উঠেছিল।

​অভিযোগের এই আবহে তিনি বর্তমানে মূলত দুটি ভিন্ন প্রশাসনিক ও নৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। আগামীতে তিনি কোন পথে হাঁটবেন, তা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

​অভিযোগ ও বিতর্কের বলয়ে থাকা জামাল হোসেনের পরবর্তী অবস্থান পুরোটাই নির্ভর করছে—তিনি প্রশাসনিক তদন্তের সম্মুখীন হয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছেন, নাকি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে স্থানীয় জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন তার উপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd