• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা বাঁধ ভেঙে এরনবিলে পানি প্রবেশ, কয়েকশো কৃষকের ক্ষতির আশংকা লাটুয়ার বাজারে ‘খাজনা সিন্ডিকেট’: প্রশাসনের চোখের সামনে চলছে অবৈধ বাণিজ্য জালালাবাদ থানা পুলিশের অভিযানে ৮৫,৫০০/-(পঁচাশি হাজার পাঁচশত) টাকার অবৈধ ভারতীয় চকলেটসহ ০৩ (তিন) জন গ্রেফতারঃ ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের নতুন সভাপতির সাধারন সভা অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় সংবর্ধিত হলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দ প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ মধ্যনগরে শালদীঘা হাওরে সুইস গেইট নির্মাণের দাবি ভিক্টোরিয়া কলেজ HSC-৯৫ ব্যাচের ফুলেল শুভেচ্ছায় আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাইফুল হাসান মধ্যনগরে বোরো ধান ঘরে তুলতে মাঠে প্রশাসন, দ্রুত কাটার আহ্বান

কামরাঙ্গীর চর ৩১ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name / ১৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

জাহিদ হাসান

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা কামরাঙ্গীর চর-এ অবস্থিত ৩১ শয্যা হাসপাতালকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীদের দাবি, হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ সরবরাহ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় নানা অসঙ্গতি চলছে।

আল-আমিন হোসেন নামে একজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন, সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। কিছু রোগী জানিয়েছেন, জরুরি বিভাগে চিকিৎসক উপস্থিত না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।

নতুন করে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের (মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ) অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি নিয়ে। রোগীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির লোকজন নিয়মিত হাসপাতালে এসে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে ও বিরক্ত করে এবং ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে ভিড় জমায়। এতে রোগীদের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। আরও অভিযোগ রয়েছে, কিছু চিকিৎসক নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ লিখে দেন এবং রোগীদের সেই কোম্পানির ওষুধ কিনতে পরোক্ষভাবে বাধ্য করেন। এতে রোগীদের অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন কর্মচারী। এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সরবরাহকৃত কিছু চিকিৎসা সামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় অপচয় হচ্ছে সরকারি সম্পদ।

হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, ওয়ার্ড ও টয়লেট অপরিচ্ছন্ন থাকায় রোগীদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতালের ভেতরে শৃঙ্খলার অভাব এবং তদারকির ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেছেন অনেকে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, সীমিত জনবল ও অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তারা দাবি করেছেন, অনিয়মের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd