• শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরী অনলাইন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবাগত ওসির সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ১১৭ কোটি টাকার কদমতলী বাস টার্মিনাল এখন অব্যবস্থাপনার চাদরে, সিলেটে মাজার-মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০ বুড়িচংয়ে মেয়র প্রার্থী জাবেদ কাউসারের সবুজের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে অরণ্যের উদ্যোগে ‘সবুজ উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত ধামসোনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ইসরাফিল হোসেনের প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন কুড়িগ্রাম জেলা সাইবার দলের নতুন কমিটি অনুমোদন গিরার পাড় ​জান্নাতুল বাকী কবরস্থান এর জমি ক্রয় ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহযোগিতার আবেদন মাদকের বিরুদ্ধে উত্তাল দক্ষিণ সুরমা: কুড়িগ্রাম জেলার মধ্যে প্রথমবার নাগেশ্বরীতে বেতের ছোঁয়া অ্যান্ড কসমেটিকস এর শুভ উদ্বোধন

​ভোলার গৃহবধূ মিতু হত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িসহ ৩ আসামি চট্টগ্রামে গ্রেফতার

Reporter Name / ১৩৫ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

মোঃ মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী
জেলা (প্রতিনিধি) ভোলা

​ভোলার বহুল আলোচিত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার প্রধান তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। দীর্ঘ আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র‍্যাবের জালে ধরা পড়লেন তারা।
​মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে চট্টগ্রামের ইপিজেড সংলগ্ন ব্যারিস্টার কলোনি এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বুধবার (১৭ জুন) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৮ এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. রওনক জাহান সরকার।
​গ্রেফতারকৃতরা সবাই এই মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। সোহাগ (নিহত মিতুর স্বামী) – মামলার ১ নম্বর আসামি, কোহিনূর বেগম (শাশুড়ি) – মামলার ২ নম্বর আসামি, মুক্তা আক্তার (ননদ) – মামলার ৪ নম্বর আসামি।
​গত ৫ জুন ২০২৬ রাতে ভোলার সদর থানা এলাকায় গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিতুর পরিবার থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন (ভোলা সদর মডেল থানা)। মামলায় মোট ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ জনকে আসামি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি আমলে নেয় র‍্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল। তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্ত শুরু করেন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আসামিরা যে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
​আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাব-৮ এবং র‍্যাব-৭ এর একটি চৌকস দল যৌথভাবে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনিতে অভিযান পরিচালনা করে। অত্যন্ত গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে চালানো এই অভিযানে পলাতক ৩ আসামিকে সফলভাবে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় বাহিনীটি।
​র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। বর্তমানে তাদের সংশ্লিষ্ট ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যেখানে তাদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।
​মিতুর পরিবারের দাবি, এটি সাধারণ আত্মহত্যা নয়, বরং এর পেছনে গভীর কোনো রহস্য বা নির্যাতন লুকিয়ে রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের পর এখন এলাকায় সুষ্ঠু বিচারের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

মোঃ মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী
জেলা প্রতিনিধি ভোলা
০১৬১৬৬৬৭৪৯৬


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd