• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরীতে আধুনিক কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ ভাণ্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে প্রেস কনফারেন্স তানোর ভূমি অফিসের পেশকার সাজ্জাদ সুমনের বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা নেওয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ ​একটি খবরের সূত্র ধরে চরের কুঁড়েঘরে ইউএনও: দুই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারে মানবিক আলোর স্পর্শ নাগেশ্বরীতে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ: সুপারের দাবি ‘ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্ব পালনের নির্দেশ পুলিশ কমিশনারের নাগেশ্বরী ব্লাড ব্যাংকের ২০২৬-২৭ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ​সরকারি নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল: রাতের আঁধারে ভোলার দৌলতখানের এসাক মোড়ে দেদারসে কেনাবেচা হচ্ছে ইলিশ নাগেশ্বরীতে বোয়ালেরডারা কবরস্থানের জমি ক্রয়ে ১০ হাজার টাকা অনুদান দিলেন হাজী সোহেল আসন্ন নাগেশ্বরী পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র পদপ্রার্থী আজিজুল হকের নির্বাচনী গণসংযোগ

ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করেছে চা বিক্রেতা

Reporter Name / ২৯৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

ভান্ডারিয়া(পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামে স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করেছে এক চা বিক্রেতা। সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার ধাওয়া গ্রামে নির্মম এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ফরিদা বেগম (৬৫) এবং তার মেয়ে চম্পা বেগম (৩২) হত্যাকান্ডের ঘটনার পর অভিযুক্ত মোঃ ওবায়দুল হক বাদল খান (৪৫) পলাতক রয়েছে। তবে কি কারণে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি নিহতের স্বজন কিংবা স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানায়, অভিযুক্ত মোঃ ওবায়দুল হক বাদল খান এর আগে ৩ বার বিয়ে করেছিল। সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল ২০২৫ প্রতিবেশী চাচাতো বোন চম্পাকে বিয়ে করে সে। এরপর থেকেই সে স্ত্রী চম্পা, শাশুড়ি ফরিদা বেগম এবং প্রথম স্ত্রীর ছেলে ইয়াসিনকে (১০) নিয়ে একটি ফাঁকা বাড়িতে বাসবাস করত। সোমবার রাত ১১টার দিকে ইয়াছিন ঘর থেকে পালিয়ে এক প্রতিবেশীকে জানায় যে, তার বাবা সৎ মা চম্পা এবং সৎ নানী অর্থাৎ চম্পার মাকে হত্যা করেছে। এ খবর বলে ছেলে আত্মগোপনে চলে যায় তার পরে তাকে আর এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি। পরবর্তীতে চম্পার মামাতো বোন এবং প্রতিবেশী নাছিমা বেগমের ঘরের মধ্যে গিয়ে দুইজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। এ সময় তাদের শরীরে আগুন জ¦লছিল। তখন তিনি টয়লেটের পানি দিয়ে অগুন নিয়ন্ত্র করে এবং এলাকা বাসী ও পুলিশ কে খবর দেন। কি কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে কেউই কিছু বলতে পারেনি। হত্যা কান্ডঘটনার পর থেকে অবুঝ শিশু পুত্র ইয়াসিনকে কে পাওয়া যাচ্ছে না। অবুঝ সন্তানকে পাওয়া গেলে হয়ত হত্যার কোন রহস্য পাওয়া যেতে পারে।
এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ, ডিবি পুলিশ এবং সিআইডি পুলিশের একধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছ। অভিযুক্ত হত্যাকারী মোঃ ওবায়দুল হক বাদল খান ধাওয়া বাজারে একটি চায়ের দোকান আছে।
ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইন চার্জ আহমদ আনওয়ার জানায় পারিবারিক কারণে এ হত্যা কান্ড হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারনা করা যাচ্ছে। তিনি ২০দিন আগে ৪র্থ বিবাহ করেন এখানে অন্য কোন কারণ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd