মোঃ শাহজাহান বাশার
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল-ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অধিদপ্তরের ৪২টি টিম দেশের ২৯টি জেলায় বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তদারকি কার্যক্রম চালায়।
অভিযানে অনিয়মের দায়ে ৬১টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও প্যাম্ফলেট বিতরণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অধিদপ্তর জানায়, তদারকি কার্যক্রমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি দোকানে যথাযথভাবে মূল্যতালিকা প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না, ওজন ও পরিমাপে কারচুপি হচ্ছে কি না, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে কি না এবং নকল ও ভেজাল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
অভিযানে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করা এবং পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে খাদ্য, পণ্য ও ওষুধ কেনার আহ্বান জানিয়েছে।
এ ছাড়া মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম না দেওয়ার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।