• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনকে কারাদণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি একজন খলনায়ক থাকতেই হবে? নাগেশ্বরীতে মাদকমুক্ত সমাজ গরতে গিরার পাড় তরুণ সংঘের কঠিন হুশিয়ারি সিলেটে পুলিশের বড় ধাক্কা: বিশেষ ক্ষমতাবলে সাবেক ২ ওসিসহ ৫৬ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে পরকীয়ায় জড়িয়ে মা/দ/কা/স/ক্ত, আবিদের ঝুলন্ত ম/রা/দে/হ উদ্ধার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ -এর নেতৃবৃন্দের নাগেশ্বরী থানার ওসির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ আমার বাপেরে ১৫ জনে মিইল্লা কোপাইছে আর আমরা দুই ভাইয়ে ওরে কোপাইছি মোল্লাহাটে থানা পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান ​নাগেশ্বরীতে ​হাউরিভিটা মসজিদের উন্নয়ন কাজে হাজী সোহেলের ২০ বস্তা সিমেন্ট অনুদান তানোর গোল্লাপাড়া বাজারে ‘আবেদা এন্টারপ্রাইজ’-এর শুভ উদ্বোধন

নাগেশ্বরীতে মাদকমুক্ত সমাজ গরতে গিরার পাড় তরুণ সংঘের কঠিন হুশিয়ারি

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

নাগেশ্বরী উপজেলাপ্রতিনিধি :

কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে “গিরার পাড় তরুণ সংঘ” মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করল। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ সমাজকে বিভ্রান্তির হাত থেকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা ঘোষণা করেছে সামাজিক সংগঠন ‘গিরার পাড় তরুণ সংঘ ‘। তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে সংগঠনটি মাদকবিরোধী সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।​আজ জুমার নামাজ শেষে ঘোষণা দেওয়া হয়। এসময় উপস্থি ছিলেন,মাওলা মো: রুহুল আমিন, ইমাম গিরার পাড় জামে মসজিদ, মো: শহিদুল ইসলাম (বিএসসি), মো: মিজানুর রহমান,বিশিষ্ট সমাজ সেবক,গিরার পাড়,মো: বকদুল হোসেন,মো: শহিদুল ইসলাম, হাফেজ মো: জসিম উদ্দিন, মো: মোফাচ্ছেল হোসেন,মো: সাদিকুল ইসলাম, মো: আপন মিয়া,মো: লিটন হোসেন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগন। এ সময় তরুণ সংঘের সদস্যরা বলেন, মাদক কেবল একটি পরিবারকে ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজ ও দেশের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়। তাই মাদকের সরবরাহ, বিক্রি এবং সেবনের বিরুদ্ধে সংগঠনটি বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না।​মাদক নির্মূলে “গিরার পাড় তরুণ সংঘ”কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে:​

সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা:বিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয় ও স্থানীয় পর্যায়ে মাদকবিরোধী পোস্টার, লিফলেট বিতরণ এবং উঠান বৈঠকের আয়োজন।

​প্রশাসনের সাথে সমন্বয়: স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এলাকা ভিত্তিক মাদক বিক্রির স্পট চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ।​

কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন: মাদকের গ্রাসে চলে যাওয়া স্থানীয় যুবকদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিশেষজ্ঞ দ্বারা কাউন্সিলিং ও সহায়তার হাত বাড়ানো।​

খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা: তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা।
মো:শহিদুলইসলাম(বিএসসি)বলেন:​”তরুণরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যৎকে কোনোভাবেই মাদকের করাল গ্রাসে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। আমাদের এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত এই সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”
​সংগঠনটির পক্ষ থেকে সকল অভিভাবক, শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং যুব সমাজকে এই মাদকবিরোধী লড়াইয়ে একাত্মতা প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd