• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাগেশ্বরীতে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগ: সুপারের দাবি ‘ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্ব পালনের নির্দেশ পুলিশ কমিশনারের নাগেশ্বরী ব্লাড ব্যাংকের ২০২৬-২৭ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ​সরকারি নিষেধাজ্ঞা বুড়ো আঙুল: রাতের আঁধারে ভোলার দৌলতখানের এসাক মোড়ে দেদারসে কেনাবেচা হচ্ছে ইলিশ নাগেশ্বরীতে বোয়ালেরডারা কবরস্থানের জমি ক্রয়ে ১০ হাজার টাকা অনুদান দিলেন হাজী সোহেল আসন্ন নাগেশ্বরী পৌরসভা নির্বাচন: মেয়র পদপ্রার্থী আজিজুল হকের নির্বাচনী গণসংযোগ শিবরামপুরে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পাবলিক কমিউনিটি সেন্টারের শুভ উদ্বোধন কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ৩৮ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে জয়পুরহাট সদর উপজেলাকে হারিয়ে কালাই উপজেলা চ্যাম্পিয়ন সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক খুন

গোমতী নদীর পাড় সুরক্ষা ও ভাঙ্গন রোধে প্রয়াত এমপির প্রচেষ্টা

Reporter Name / ২৭৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন
গোমতী নদী কুমিল্লার বুক চিরে প্রবাহিত একটি তীব্র স্রোতধারার পার্বত্য নদী। জেলার অন্তত সাতটি উপজেলার কৃষি কার্যক্রমে এ নদীর পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও বর্ষাকালে কখনো কখনো এটি রুদ্র রূপ ধারণ করে বাঁধ ভেঙে জনজীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাকে বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে ফেলে এই নদী।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ৭২ বছরে গোমতীর বাঁধ ২৯ বার ভেঙেছে, যার মধ্যে সর্বাধিকবার বাঁধ ভেঙেছে বুড়িচং উপজেলায়। সত্তর, আশি, নব্বই এবং বিংশ শতাব্দীতে বহুবার বাঁধ ভাঙার কারণে বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ ভয়াবহ বন্যার শিকার হয়েছে।
ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, নদী ভাঙনরোধ এবং পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া নির্বাচনী এলাকা থেকে চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোঃ ইউনুস। তিনি সরকারি বরাদ্দ সংগ্রহ, সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী নিয়োজিত করা, জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয়, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার এবং জরুরি ত্রাণ বিতরণে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলেন। নৌকা ও স্পিডবোট ব্যবহার করে তিনি ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছিলেন মানুষের দ্বারে দ্বারে।
নদী ভাঙন রোধে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে বরাদ্দ এনে বাঁধ নির্মাণ করেছিলেন। নদীর পাড় উঁচু ও প্রশস্তকরণ, নদী শাসন এবং নদীর পাড় পাকা করণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও তার উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছিল।
আজ অধ্যাপক ইউনুস আর জীবিত নেই, কিন্তু তার অবদান ও পরিশ্রম মানুষ এখনো ভুলে যায়নি। আশির দশকে বুড়িচং উপজেলায় গোমতীর বাঁধ ভাঙনের সময় তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব ও জরুরি ত্রাণ কার্য পরিচালনায় যে ভূমিকা রেখেছিলেন, তা ইতিহাসে অম্লান হয়ে আছে। সেই সময়ের পানিবন্দি স্যার উদ্ধার অভিযান এবং ত্রাণ বিতরণের একটি ছবিতে দেখা যায়, নৌকায় স্যারের পাশে বসে আছেন এবং অপর ছবিতে উদ্ধার অভিযানে স্যারের ডান পাশে হাঁটছেন কুমিল্লার বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মনিরুল হক চৌধুরী, যিনি ত্রাণ কার্যক্রমে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বর্তমানে যারা গোমতীর বাঁধ উঁচুকরণ নিয়ে মানববন্ধন করছেন, তাদের ন্যায্য ও নিয়মতান্ত্রিক দাবির সাথে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস ফাউন্ডেশন একমত পোষণ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd