মাধাইয়া বাজার, চান্দিনা, কুমিল্লা প্রতিনিধি: মোঃ আল-আমিন (মালদ্বীপ প্রবাসী)
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাজারে হোসেন স্টোর থেকে ৫০ হাজার টাকার কাপড় চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী উর্মি ও সংশ্লিষ্ট দোকানদার হারানো কাপড় উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উর্মি নামের এক নারী মাধাইয়া বাজারের হোসেন স্টোর থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকার কাপড়চোপড় কেনেন। কেনাকাটা শেষে তিনি কাপড়গুলো নিচে রেখে দোকানদারকে টাকা পরিশোধ করেন। পরে বাড়ি যাওয়ার জন্য কাপড় নিতে গিয়ে দেখেন, সেগুলো আর সেখানে নেই।
দোকানদারের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় বোরকা পরা এক নারীকে একটি শিশুসহ ওই এলাকা থেকে চলে যেতে দেখা যায়। শিশুটির পরনে ছিল সবুজ রঙের গেঞ্জি। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারী ও শিশুটি কাপড়গুলো নিয়ে চলে গেছে। পরে বাজারের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। তবে ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তির পেছনের অংশ দেখা গেলেও মুখ স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
দোকানদারের দাবি, এর আগেও তার দোকানের সামনে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করেও তিনি সফল হননি। এ পরিস্থিতিতে মাধাইয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
সন্ধান পেতে সহযোগিতার আহ্বান, ৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা
হারানো কাপড় উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দোকানদার। তার ঘোষণা অনুযায়ী, এ ঘটনায় কার্যকর তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারলে ৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
মাধাইয়া বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, কারও কাছে এ ঘটনা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রাসঙ্গিক সিসিটিভি ফুটেজ থাকলে তা হোসেন স্টোরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
মাধাইয়া বাজারে চুরির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, হারানো কাপড় উদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও দায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে: মোঃ আল-আমিন (মালদ্বীপ প্রবাসী)।