• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ওসমানী মেডিকেলে দালাল চক্রের ৪ সদস্যকে কারাদণ্ড তানোরে পৈত্রিক জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ঢাকা সিএমএম আদালতে মামলার চাপ, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি ভাণ্ডারিয়ায় পোনা নদীতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু ​ভোলার গৃহবধূ মিতু হত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িসহ ৩ আসামি চট্টগ্রামে গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতার স্বীকৃতি পেলেন সিসিক কর্মীরা শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের টাকার হিসেব দিত হবে আলীকদম বাস টার্মিনাল এলাকায় টমটমের ধাক্কায় ১৩ বছরের শিশু গুরুতর আহত গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মহড়া: ভাইরাল ভিডিওর তিন যুবক গ্রেফতার চিতলমারীতে মাদক অভিযানে গ্রেফতার ১০ উদ্ধার ০১

শাহ্‌সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্‌ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কুপ্রবৃত্তি দমন করা এবং সুপ্রবৃত্তি সৃষ্টি করাই মাইজভাণ্ডারী তরীকার প্রধান নির্দেশিকা” -শাহসুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী

Reporter Name / ২০৮ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

ত্বরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার মহান প্রবর্তক হুজুর গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্‌সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্‌ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) মাদারীপুর জেলার ছিলারচর ইউনিয়নের রগুড়ামপুর খানকাহ্ শরীফে আজিমুশশান ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাইজভান্ডার দরবার শরীফ গাউছিয়া রহমানিয়া মইনীয়া মনজিলের বর্তমান গদীনশীন পীর ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি-বিএসপি চেয়ারম্যান হযরত শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভান্ডারী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী। তিনি বলেন, “মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা একটি স্বতন্ত্র ত্বরিকা ও স্বতন্ত্র রূপ। এই তরিকার প্রতিষ্ঠাতা হলেন হযরত গাউছুল আজম শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী কাদ্দাছাল্লাহু ছিররাহুল আজিজ। যুগ পরম্পরায় বিভিন্ন ত্বরিকতের শায়েখগণ মানুষের হেদায়াত ও আত্মশুদ্ধির জন্য পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহ্ তথা ইসলামি শরিয়তের সমর্থনে বিভিন্ন কর্মপদ্ধতি প্রণয়ন করেছেন। যেগুলোকে তরীকত ও তাসাউফ নামে আখ্যায়িত করা হয়। ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি লাভের লক্ষ্যে তাসাওউফ চর্চার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির একটি উত্তম কর্মপদ্ধতি হলো তরীকতের অনুশীলন করা। এই কর্মপদ্ধতির উদ্দেশ্য হলো নফসে ইনসানী বা কু-প্রবৃত্তির বিনাশ ঘটিয়ে রূহে ইনসানী তথা সুপ্রবৃত্তি সৃষ্টির মাধ্যমে সহজ পন্থায় আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করা ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)’র রেজামন্দি বা সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারা। যদি আমরা সত্যিকার অর্থে তরীকত ও তাসাওউফের অনুশীলন করে চলতে পারি তবে আমাদের আভ্যন্তরীণ জগতে এমন একটি অবস্থান তৈরি হবে যেখানে আল্লাহ্ তায়ালার নূর, রহমত, নেয়ামত এবং শান্তি আমাদের জীবনে আসার জন্য সুন্দর সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, মূলত কুপ্রবৃত্তি দমন করা এবং সুপ্রবৃত্তি সৃষ্টি করা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” খলিফা শাহ্ মোহাম্মদ রহিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম, স্থানীয় খলিফাবৃন্দ, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া, মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ কিয়াম শেষে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাইজভান্ডারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd