• বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কেয়ারটেকার নুর ইসলাম কে পিটিয়ে জোড় পূর্বক জায়গা দোকান দখল, মশিউর রহমান গংদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভোলার দৌলতখানে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত তানোরে আকস্মিক ঝড়বৃষ্টিতে বিলের ধান লণ্ডভণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আহাজারি বুড়িচংয়ে ব্রিজের উপর অভিযান: ৫১৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রাইভেট সেক্টর ও মিডিয়ায় স্বনামধন্য সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে কামরাঙ্গীরচরে ‘ময়লা সিন্ডিকেট’: দুর্ভোগে এলাকাবাসী গার্ড অব অনারে মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এর প্রতিষ্ঠাতা পরিবারকে সংবর্ধনা তানোরে অর্কিড স্কুলে নবীনবরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ব্রাহ্মণপাড়ায় মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান

তানোরে আকস্মিক ঝড়বৃষ্টিতে বিলের ধান লণ্ডভণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আহাজারি

Reporter Name / ৩০ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

হামিদুর রহমান,তানোর (রাজশাহী)প্রতিনিধি:

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় আকস্মিক ঝড়বৃষ্টি আঘাত হেনেছে কৃষকদের স্বপ্নে। গত ৭ এপ্রিল বিকাল প্রায় চারটার দিকে হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন বিলের আবাদি জমিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পাকা ও আধাপাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় কৃষকরা পড়েছেন চরম বিপাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের তাণ্ডবে বিলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধানের ক্ষেত মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে শতাধিক কৃষকের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হিন্দুপাড়ার কৃষক সুজন ও সুনীল জানান,আমরা বিলে পাঁচ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। ঝড়ে সব ধান মাটিতে পড়ে গেছে। এত পরিশ্রম করেও এখন কিছুই পেলাম না।”
একইভাবে গোল্লাপাড়া এলাকার কৃষক দিলবাহার বলেন,
“আমি দুই বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। সব ধান মাটিতে পড়ে গেছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবো, বুঝতে পারছি না।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের চোখে মুখে এখন হতাশা আর দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। তাদের একটাই প্রশ্ন—এই ক্ষতির বোঝা কিভাবে সামলাবেন? পরিবার-পরিজনের মুখে খাবার তুলে দেওয়াই এখন তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাইমা খানের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন,ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। কৃষকদের পাশে থাকার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব সহায়তা প্রদান করা হবে।
এদিকে কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে এমন ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কৃষকদের জন্য দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে প্রান্তিক কৃষকরা আরও গভীর সংকটে পড়বেন।
তানোরের এই আকস্মিক দুর্যোগ আবারও প্রমাণ করল—প্রকৃতির কাছে মানুষ কতটা অসহায়। এখন সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd