দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি
আহমেদ আকবর
রামিসা'র ধর্ষণ ও হত্যাকারী সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। আরও ভয়াবহ বিষয় হলো—এই জঘন্য অপরাধে তার স্ত্রীও জড়িত থাকার তথ্য সামনে এসেছে।
এখন প্রশ্ন হলো—
আর কত অপেক্ষা?
আর কত দীর্ঘসূত্রতা?
আর কত নিষ্পাপ শিশুর লাশ দেখলে আমাদের রাষ্ট্র ও বিচারব্যবস্থার ঘুম ভাঙবে?
আমরা বছরের পর বছর আদালতের সিঁড়ি ঘুরতে চাই না।
আমরা আর শুনতে চাই না—“তদন্ত চলছে”, “রিপোর্ট আসেনি”, “প্রক্রিয়াধীন আছে”।
একটি শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায়—
✔️ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্তুত করা হোক।
✔️ ধর্ষণ প্রমাণে প্রয়োজনীয় DNA টেস্ট দ্রুত সম্পন্ন করা হোক।
✔️ কোনো ধরনের গাফিলতি, অবহেলা বা রাজনৈতিক প্রভাব যেন বিচার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত না করে।
যদি অপরাধ প্রমাণিত হয়, তাহলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এমন শাস্তি হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো নরপিশাচ শিশুদের দিকে কুদৃষ্টিতে তাকানোর সাহস না পায়।
আজ রামিসা…
কাল হয়তো আমার সন্তান, আপনার সন্তান, আমাদের কারো না কারো ঘরের ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশু।
শিশু ধর্ষণ শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
এই সমাজে যদি শিশু নিরাপদ না থাকে, তাহলে উন্নয়ন, সভ্যতা, মানবাধিকার—সবই অর্থহীন।
আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বলতে চাই—
শিশু ধর্ষকদের প্রতি কোনো দয়া নয়।
কঠোরতম বিচার চাই।
দ্রুত বিচার চাই।
নিরাপদ শৈশব চাই।
আসুন আমরা সবাই দল-মত নির্বিশেষে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই।
নীরবতা মানেই অপরাধীদের সাহস দেওয়া।