নিজস্ব প্রতিবেদক
২০১০ সালের ১লা ডিসেম্বর বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে যোগদান করার পর থেকেই মোঃ বদরুল আলম মোল্লা সততা, নিষ্ঠা এবং ন্যায়পরায়ণতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্বে থাকাকালীন সময় তিনি তার পেশাদারিত্বের শতভাগ প্রমাণ করেছেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থান এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তার নিরন্তর পথচলার কারণে একটি কুচক্রি মহল তার বিরুদ্বাচরন করছে। সাম্প্রতিক ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপটি তারই একটি অংশ। ঝালকাঠি জেলার নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করে সুনাম ক্ষুন্ন করাই ওই মহলটির উদ্দেশ্য।
পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি সংক্রান্ত যে অডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রনোদিত বলে জানান নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক পুলিশ সদস্য । এক কথায় হলুদ সাংবাদিকতার মবের শিকার এসপি বদরুল আলম মোল্লা। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি এবং মোটা অংকের অর্থ হাসিলের জন্য বদরুল আলম মোল্লার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই অপপ্রচার চলমান থাকলে প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা হারাবে। তাই এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় বারবার কেউ না কেউ এই কুচক্রি মহলের শিকারে পরিণত হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই প্রতারক চক্রটিকে সমূলে উৎখাত করা সম্ভব।
এদিকে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, এসপি বদরুল আলম মোল্লা একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দক্ষ অফিসার। বদরুল আলম মোল্লা সিআইডিতে যোগদান করার পর অনেক বড় বড় মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারকরা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করেছেন। আমাদের ধারণা এসব অপরাধীদের টার্গেটে ছিলেন বদরুল আলম মোল্লা। এসপি বদরুল আলমকে নিয়ে একটি ভুয়া অডিও ক্লিপটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন দোসর তকমা দিয়ে পুলিশ বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে এই অপরাধচক্রটি।
শুধু তাই নয় চক্রটি পুলিশসহ সমাজের অর্থবিত্তবানদের ব্ল্যাকমেইল করে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে।
তাই কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাবো এই প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করার জন্য।