হামিদুর রহমান,তানোর রাজশাহী প্রতিনিধি :
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী–তানোর) সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী, মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ ভোট। ফলে ১ হাজার ৮৮৪ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন।
পোস্টাল ভোটের হিসাব
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) – ২,০০২টি
শরিফ উদ্দিন (ধানের শীষ) – ৮৯২টি তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত আইন অনুযায়ী প্রদত্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১/৮) ভোট না পাওয়ায় তিন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছিল।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—
গণঅধিকার পরিষদ-এর প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শাহজাহান (ট্রাক প্রতীক) – ৪০৭ ভোট
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর প্রার্থী মো. আব্দুর রহমান (ঈগল প্রতীক) – ১,১০০ ভোট স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আল-সাআদ (মোবাইল ফোন প্রতীক) – ৬৬৩ ভোট
কেন্দ্র ও ভোটার সংখ্যা
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫৮ জন।
মোট ভোটকেন্দ্র ১৫৯টি—এর মধ্যে
গোদাগাড়ী উপজেলা – ৯৮টি কেন্দ্র তানোর উপজেলা – ৬১টি কেন্দ্র গোদাগাড়ী উপজেলার ফলাফল (৯৮ কেন্দ্র)
দাঁড়িপাল্লা – ১,০৭,৪৬০ ভোট
ধানের শীষ – ১,০৩,৩৩৬ ভোট
ট্রাক – ১,৯৩৪ ভোট
ঈগল – ৬১৪ ভোট
মোবাইল ফোন – ৩৪৫ ভোট
তানোর উপজেলার ফলাফল (৬১ কেন্দ্র) দাঁড়িপাল্লা – ৬২,৩২৪ ভোট
ধানের শীষ – ৬৫,৬৭৪ ভোট
ট্রাক – ২০৩ ভোট
ঈগল – ৪৬৬ ভোট
মোবাইল ফোন – ৩০৫ ভোট
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বক্তব্য
গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুস সাদত রত্ন ও নাইমা খাঁন বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী শরিফ উদ্দিন ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া-এর সাবেক উপদেষ্টা। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে রাজশাহী-১ আসনে ভোটের লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হলেও শেষ পর্যন্ত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বিজয়ী