মোঃ শাহজাহান বাশার
মাইজভান্ডার শরীফে ২৭শে মাঘ পবিত্র খোশরোজ শরীফ গতকাল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে হাজারো ভক্ত, আহলে ইসলাম এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্রদের উপস্থিতি দেখা যায়। এই মাহফিলে নবী করিম ﷺ এর প্রতি গভীর ভক্তি ও আল্লাহর zikr ও দোয়ার মাধ্যমে মনের পরিপূর্ণ শান্তি লাভ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবী করিম ﷺ এর ৩০তম বংশধর, শায়খুল ইসলাম হুযুর গাউসুল ওয়ারা হযরত শাহ্সুফি সাইয়্যিদ মইনুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভারী (কঃ)। এ বছর মাইজভান্ডার শরীফে ৮৯তম পবিত্র খোশরোজ শরীফ উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নেজামী মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী ও ছদারত মিলাদ ক্বিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ আহলে হক নবী করিম ﷺ এর কণ্ঠে দরুদ পাঠ ও আল্লাহর জিকির ও মুনাজাতের অংশগ্রহণ করেন।
মাইজভান্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, হযরত শাহসূফী ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী আল-মাইজভান্ডার (মা.জি.আ), যিনি নবী করিম ﷺ এর ৩১তম বংশধর এবং মাইজভান্ডারি কেবলার একমাত্র আওলাদে পাক, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। তিনি সমবেত দর্শক ও ভক্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও আহ্বান জানিয়ে বলেন, “খোদার সন্তুষ্টি ও নবীর দরদ প্রার্থনা আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
এই পবিত্র মাহফিলের সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা ছিল আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া এর হাতে, সহযোগিতা করেছেন মইনীয়া যুব ফোরাম। অনুষ্ঠানের সব আয়োজন ও তত্ত্বাবধান করা হয় হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারি ট্রাস্টের সৌজন্যে।
মাইজভান্ডার শরীফের পবিত্র খোশরোজ শরীফ ও মিলাদ মাহফিল প্রতি বছরই লাখ লাখ ভক্ত ও মুরিদদের একত্রিত করে, যা ইসলামী ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।