মোঃ হাফিজুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার পাগলা দিয়াপাড়া ৩৮ নং মৌজার মর্গেজ প্রাপ্ত জমি ক্রয় করেন স্বপন কুমার মন্ডল বাগেরহাট সমবায় ব্যাংক থেকে ১১/০৭/২০১৬ সালে স্বপন কুমার মন্ডল নামে এক ব্যক্তি উক্ত জমির পরিমাণ ১ একর ৪০ শতক জমি ক্রয় করেন ক্রয় সূত্রে স্বপন কুমার মন্ডল লিগ্যাল মালিক হন, জমি ক্রয়ের পাঁচ বছর পরে স্বপন কুমার মন্ডল ১৪/০৮/২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন তাহার মৃত্যুর পরে এই জমি সংক্রান্ত কোনো তথ্যই তার পরিবারের নিকট ছিল না, স্বপন কুমার মন্ডলের স্ত্রীর নিকটতম আত্মীয় বিশ্বজিৎ মন্ডল নামে এক দালাল এই জমির সন্ধান পান ২০২১ সাল থেকে এই দালাল বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই জমি কে মিউটেশন করার চেষ্টা করেন এক পর্যায়ে ২০২৪ সালের আবেদন নং ৫৯৮৭৭৪১, আবেদনের তারিখ ১৯/০৬/২০২৪, মিউটেশনের মামলা নং ৭.৪৯৯(২০২৩-২৪ অনলাইন ডি সি আর নংDCR24013403807499, মিউটেশন টি করতে সফল হন, এবং এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিশ্বজিৎ মন্ডল একজন বিশাল মাপের প্রতারক তিনি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে ম্যানেজ করেই এ ধরনের কাজ করে থাকেন ঠিক একইভাবে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে মিউটেশন টি সম্পূর্ণ করেছেন বলে জানা যায় এর সাথে যারা জড়িত রয়েছেন,১) সরকারি কমিশনার ভূমি সাজিয়া সিদ্দিকা সেতু, ফকিরহাট উপজেলা ভূমি অফিস,২) মোঃ শহিদুল ইসলাম সার্ভেয়ার উপজেলা ভূমি অফিস ফকিরহাট, ৩) রুবিয়া আক্তার অফিস সহকারি উপজেলা ভূমি অফিস ফকিরহাট,৪) মোঃ জাকির হোসেন ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা খড়রিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস ফকিরহাট, এই চার ভূমি কর্মকর্তা ২৩/৬/২০২৪ তারিখে খতিয়ান নং ১০২১ অনুমোদন দিয়েছেন ওই মিউটেশনের উপর ভিত্তি করে সু কৌশলে দালাল বিশ্বজিৎ মন্ডল নিজ মুখে স্বীকারোক্তিমূলক নিজের নামে গ্রহীতা হিসেবে একটি দলিল করে নিয়েছেন বলে জানা যায়, দালাল বিশ্বজিতের নামে দলিল হলেও এখনো পর্যন্ত রেকর্ড প্রাপ্ত করতে পারেননি বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরা ঘুরি করছেন নিজ নামে জমি রেকর্ড করে নেওয়ার জন্য মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে এই কর্মকর্তারা একজন মৃত ব্যক্তির নামে মিউটেশন দিয়েছেন এ সম্পর্কে এ সকল কর্মকর্তা কিছুই মনে করেন না, তাদের কাছে এ সমস্ত কাজ সচরাচর হয়ে থাকে বলেই তারা মনে করেন, এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন একশন নেওয়ার কেউ নেই বলেও তারা মনে করেন, তবে এই সমস্ত কর্মকাণ্ডকে ভুল বললে ঠিক হবে না জেনেশুনেই এ সকল কর্মকর্তা মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে কাজটা করেছেন কিভাবে এত বড় একটি অবৈধ কাজ করতে পারে যেখানে একটি মিউটেশন করতে হলে তার তদন্ত হয় এই তদন্ত যিনি করেন তিনি কিভাবে এই মিউটেশনের কাগজে সিগনেচার করলেন তার কোন জবাবই তাদের কাছে নেই সু কৌশলে অফিসারদের টাকার বিনিময়ে দালাল বিশ্বজিৎ মন্ডল মিউটেশন করিয়ে নিজ নামে গ্রহিতা হিসেবে দলিল করিয়া নেন, স্বপন কুমার মন্ডলের মৃত্যু সনদ এবং ওয়ারিশ কাম সার্টিফিকেট অনুযায়ী জানা যায় স্বপন কুমার মন্ডল মৃত্যু কালে তার স্ত্রী এবং দুই ভাইকে ওয়ারিস হিসেবে রেখে যান এতেই স্পষ্ট বোঝা যায় অবশ্যই এখানে বড় ধরনের চালাকি এবং জাল জালিয়াতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে, এখানেই শেষ নয় নিউজটি লেখা পর্যন্ত দালাল বিশ্বজিৎ মন্ডল মোবাইল ফোনে কল করে একটি দামি ও মোটরসাইকেল দেওয়ার কথাও সাংবাদিককে বলেন এত দ্রুত কি করে দালাল বিশ্বজিৎ মন্ডল একটি মোটরসাইকেল সাংবাদিক কে দিতে চাইলো এখানেও সন্দেহ হয় যে, যে সকল কর্মকর্তাগণ এ কাজের সাথে সংযুক্ত রয়েছেন তারাই বিশ্বজিৎকে দিয়ে এ প্রস্তাব দিচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে স্বৈরাচার সরকার চলে গেলেও এখনো পর্যন্ত অনেক স্বৈরাচার সরকারি কর্মকর্তা কর্মস্থলে বসেই বিভিন্ন মানুষকে সেবার নামে মানুষকে বোকা বানিয়ে তাদের দুর্নীতি ঠিকই চালিয়ে যাচ্ছেন, এ ধরনের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা না নিলে এক সময় হয়তো দেশ ও দেশের মানুষ এক সময় মুখ থুবড়ে পড়বেন। এ ধরনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কঠিন থেকে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভোগী পরিবার উক্ত বিষয়টি ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট প্রার্থনা জানিয়েছেন।