
মোঃ শাহজাহান বাশার,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা জুড়ে চাঁদাবাজি, দালাল চক্র ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন নবাগত সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ায় এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশাসন, পুলিশ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন— দেবিদ্বারে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা দালালচক্র সহ্য করা হবে না। ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দালালদের প্রভাব নির্মূল করতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে সরকারি সেবা পায়, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কেউ জনগণের অধিকার নিয়ে বাণিজ্য করতে পারবে না।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্রে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নিতে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
উপজেলাজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, উন্নয়ন ও সুশাসনের মাধ্যমে দেবিদ্বারকে একটি মডেল উপজেলায় পরিণত করা হবে। তার মতে, “নিরাপদ সমাজ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে আমরা আপসহীন।”
স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মনে করছেন, নবাগত এমপির কঠোর অবস্থানের কারণে অপরাধচক্রের মধ্যে চাপ তৈরি হয়েছে। তারা আশা করছেন, ধারাবাহিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে দেবিদ্বার একটি আদর্শ প্রশাসনিক মডেলে রূপ নিতে পারে।
চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে— তবে আপাতত এলাকায় কঠোর বার্তার প্রভাব স্পষ্ট বলে মন্তব্য করছেন সচেতন মহল।