মারুফ হাসান
ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
ব্রাজিল ও হাইতির মধ্যকার ম্যাচ ঘিরে শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় খেলা উপভোগ করতে জড়ো হন শত শত ব্রাজিল সমর্থক। হলুদ-সবুজ জার্সি, পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
খেলা চলাকালে সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উত্তেজনা ও আবেগ। ব্রাজিলের প্রতিটি আক্রমণে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা, আবার গোলের সুযোগ নষ্ট হলে দেখা যায় হতাশার ছাপ। ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্তে সমর্থকদের আনন্দ, উদ্বেগ ও প্রত্যাশার চিত্র ধরা পড়ে আলোকচিত্রে।
ব্রাজিলের সমর্থক মিনহা আক্তার জেরিন ম্যাচ শেষে নিজের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমার মতে, এই ম্যাচে ব্রাজিলের জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক দিক ছিল আক্রমণভাগের কার্যকারিতা। ম্যাথেউস কুনহা দুটি গোল করেন এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি গোলের পাশাপাশি আক্রমণে বড় ভূমিকা রাখেন। এই জয়ে ব্রাজিল গ্রুপ ‘সি’-তে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “তবে স্কোরলাইন ৩–০ হলেও ব্রাজিলের খেলায় এখনও আরও ধারাবাহিকতা ও সৃজনশীলতার প্রয়োজন আছে, বিশেষ করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সামনে কঠিন ম্যাচগুলোতে দলকে আরও পরিণত ফুটবল খেলতে হবে।”
হাইতির পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে মিনহা আক্তার জেরিন বলেন, “হাইতি হারলেও তারা লড়াই করার মানসিকতা দেখিয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে তাদের অংশগ্রহণ ও চেষ্টা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।”
ম্যাচ শেষে ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে বিজয় উদযাপন দেখা যায়। অনেকেই পতাকা হাতে ছবি তোলেন এবং প্রিয় দলের জয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো হওয়া ফুটবলপ্রেমীদের মতে, আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় ম্যাচগুলো বাংলাদেশের দর্শকদের মধ্যে এখনও সমান জনপ্রিয়। ব্রাজিলের জয় যেমন সমর্থকদের আনন্দ দিয়েছে, তেমনি হাইতির লড়াকু মানসিকতাও অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।