নিজস্ব প্রতিবেদক
বহুল আলোচিত ইন্টারন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমের গডফাদারের সন্ধান খূলনার ফুলতলা পায়গ্রাম কসবায় বসবাস করেন, সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, পিতা সৈয়দ আমজাদ হোসেন, সাইবার ক্রাইম জগতের আলোড়ন গডফাদার, ডিজিটাল প্রতারক চক্রের প্রধান,ও আইডি হ্যাকিং প্রতারক,ও বহুরূপী, দেশের বিভিন্ন থানাতে একাধিক মামলার গডফাদার বিভিন্ন নামে বেনামে মামলা চলমান, রাজবাড়ী থানা প্রতারণা, যশোর বসুন্দিয়া থানা প্রতারণা, পঞ্চগড় থানা স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রতারণা, মেহেরপুর সদর থানা প্রতারণা, খুলনা হরিণ টানা থানা ধর্ষণ মামলা, নামে বেনামে একাধিক বউ, এবং বসবাসরত থানা ফুলতলা অগণিত অভিযোগ সহ নানা ধরনের মামলা, প্রথম বউয়ের বাড়ি কয়রা পাইকগাছা, দ্বিতীয় বউয়ের বাড়ি, শাহাপুর, তৃতীয় বউয়ের বাড়ি ডুমুরিয়া সজনিআরা স্কুল মাঠ ডুমুরিয়া, এরাও এসব কাজে লিপ্ত, বর্তমানে বসবাসরত বাড়িতে যে স্ত্রী তিনি প্রতারণা মামলায় জেল কেটেছেন, ছেলে সৈয়দ ইয়াসিন আরাফাত বর্তমানে যশোর অভয়নগর ডিবি হাতে ৫০ হাজার টাকা প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তার আছেন, এই ভয়ংকর রুপি প্রতারক, টার্গেট করেন ভিক্ষুকদের, প্রথমে তাদের লোভে ফেলেন তারপর তার থেকে আইডি কার্ড নেন এবং সেই অনুযায়ী সিম উত্তোলন করেন, তদন্তের স্বার্থে জানা য়ায ভিক্ষুকদের প্রথমে বলেন আমি আপনাকে একটা কাড করে দিবো তাঁর পর তার থেকে আইডি কার্ড নেন এবং পরে তাকে মোবাইল সিম কার্ড কিনতে নিয়ে যায় তাকে দিয়ে, অনেক বার টিপ দিয়ে অনেক গুলো সিম উত্তোলন করে নেন, এবং পরবর্তীতে সেই সিম ব্যবহার করে নাশকতা ও প্রতারণা শুরু করে, মেহেরপুর মামলা দুই ভিক্ষুক আসামি করা হয় ৪ নং ও,৫ নং আসামি ছিলেন তারা এক জন মারা গেছেন,আর এক জন জিবীত, পায়গ্ৰাম কসবায় তদ্ভতে গেলে শুনতে পাই ভংয়ানক তথ্য স্থানীয় সাংবাদিকদ তার প্রতারণার নিউজকে শেয়ার দেওয়াতেই তার নামে একাধিক ফেক আইডি খুলে ব্ল্যাকমেইল করছে এবং তাকে মৃত্যুর হুমকি প্রদান করছে,শত শত ফেক আইডি ব্যবহার করেন তিনি, ইন্টারন্যাশনাল প্রতারক চক্রের প্রধান সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, মাসোহারা দিয়ে এসব প্রতারণা করেন, এমন কথাও শোনা যায়,সব ম্যানেজ করে চলে তার প্রতারণার ব্যবসা হাজার হাজার ফ্যামিলি সর্বস্বান্ত করেছেন সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, এবং চোর সিন্ডিকেটের প্রধান সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু বেশি দিন কারাবাস স্থায়ী হয় না সে হাই কোর্ট থেকে একাধিক মামলার জামিন পান কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে আনেন, মাঝে মাঝে ঘটক সেজে তথ্য সংগ্রহ করে, প্রতারণা করে ঢাকার বুকে একটি গার্মেন্টস নোয়াপাড়া বসুন্দিয়া গড়েছিলেন বিলাসবহুল বাড়ি কিনে ছিলেন একাধিক ট্রাক ও প্রাইভেট কার, সবই আবার মামলায় খাইয়েছেন বেশি সময়ের তিনি পালিয়ে জীবন রক্ষা করে মামলায়, কখন ডুমুরিয়ায় কখনো নিচু অঞ্চলেই সাইবার প্রতারক চক্রের প্রধান অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে গ্রামবাসী ও সাংবাদিক সহ শত শত লোক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান প্রশাসনের কাছে, বিতারিত ৬
পাটে